গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী, তিন কন্যা সন্তান ও শ্যালককে হত্যার পর প্রধান অভিযুক্ত মোঃ ফোরকান মোল্লা আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন।
ঘটনার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কাপাসিয়া থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতিসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়।
পুলিশ আরো জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ১১ মে অভিযুক্ত ফোরকানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন মেহেরপুর সদর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্তে জানা যায়, একই দিন সকালে পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে একটি মোবাইল ফোন পড়ে থাকতে দেখে এক ট্রাক হেল্পার সেটি নিজের হেফাজতে নেন।
বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়নে জায়গা পেল না সেই সিঁথি
২০ এপ্রিল ২০২৬
পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, সকাল ৬টা ৪২ মিনিটে সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরিহিত এক ব্যক্তি একটি সাদা প্রাইভেটকার থেকে নেমে রেলিংয়ের পাশে কিছু রেখে কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর নদীতে ঝাঁপ দেন। পুলিশ ধারনা করছে ওই ব্যক্তি ছিলেন অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা।
পুলিশের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে তিনি পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনায় পদ্মা সেতু সংলগ্ন বিভিন্ন থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
###
গাজীপুর
১৪ মে ২০২৬
