গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকার ‘ই ভ্যালি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মরদেহটি উদ্ধার করে বাসন থানা পুলিশ। নিহতের সঙ্গে হোটেলে অবস্থানকারী পরিচয়দানকারী ব্যক্তি লিখন মিয়া পলাতক রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাসন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হারুন অর রশিদ।
পুলিশ জানায়, নিহত শান্তা বেগম (৩৩) গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার হরিরামপুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
১৪ জুন ২০২৬
বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুপক জানান, হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে শান্তা বেগম মো: লিখন মিয়া (৩৫) পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে ওঠেন। তবে ওই ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিয়ে পুলিশের সন্দেহ রয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, হোটেলে কক্ষ ভাড়ার সময় লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না নিয়েই হোটেল কর্তৃপক্ষ কক্ষ ভাড়া দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর থেকেই লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এসআই রুপক জানান, নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়ের করা হবে।
বাসন থানার ওসি মো: হারুন অর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
