প্রচ্ছদ আন্তর্জাতিক ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

ডেইলি গাজীপুর ডেস্ক

ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেছেন, ভারতই আসল সন্ত্রাসী এবং তাদের কথা এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না।

বৃহস্পতিবার ৭ মে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত বছর ভারতের সাথে হওয়া সামরিক উত্তেজনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। পাকিস্তান ওই সংঘাতকে ‘মারকা-ই-হক’ বা সত্যের যুদ্ধ বলে অভিহিত করে।

আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, মারকা-ই-হকের ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। প্রথমত, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসেবে দেখানোর যে চেষ্টা ভারত করত, সেই বয়ান এখন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। ভারত কোনো প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়ে দেয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত বছরের পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ কি ভারত দিতে পেরেছে? তিনি দাবি করেন, পুরো বিশ্ব এখন জানে যে ভারতই এই অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে।

আরও খবর

১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকরের নীতিগত সিদ্ধান্ত

১৭ মে ২০২৬
Daily Gazipur

তিনি আরও বলেন, এই সংঘাতের পর পাকিস্তান ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পাকিস্তানের বর্তমান নেতৃত্বই এখন এই অঞ্চলের সবথেকে বড় নিরাপত্তা দূত।

ভারতীয় নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভারতের সামরিক বাহিনী এখন পেশাদারিত্ব হারিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হয়ে উঠেছে মারমুখী ও যুদ্ধবাজ। সেনাবাহিনী ও রাজনীতির এই ধরণ কোনো দেশের জন্যই ভালো ফল আনে না।

কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। ভারত চাইলেই সেখানে গায়ের জোরে সব পরিবর্তন করে দিতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন যে ভারত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে সরাসরি মদদ দিচ্ছে। এমনকি ভারত আফগানিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তানে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন, যুদ্ধের পর ভারত আফগান তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, গত এক বছরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী অনেকগুলো সফল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়েছে এবং দেশের সীমান্ত রক্ষায় তারা সবসময় সজাগ আছে।

ফন্ট
লাইন
সেভ