প্রচ্ছদ অন্যান্য কক্সবাজারের হোটেলের নামে পানি, গাজীপুরে আড়াই লাখ জরিমানা

কক্সবাজারের হোটেলের নামে পানি, গাজীপুরে আড়াই লাখ জরিমানা

ডেইলি গাজীপুর ডেস্ক

দেশের বিলাসবহুল চাইনিজ রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে পর্যটনকেন্দ্রের নামিদামি হোটেল-মোটেল- এর অভিজাত ক্রেতাদের কাছে বিক্রির জন্য তৈরি করা হচ্ছিল উচ্চমূল্যের বোতলজাত সুপেয় পানি। অথচ এসব পানীয় তৈরির আড়ালেই চলছিল অনুমোদনহীন একটি কারখানা।

গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই- এর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা এবং সিলগালা করেছে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আরও খবর

মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের ওপর আরোপিত দণ্ড সুদের হার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

১৩ মে ২০২৬
Daily Gazipur

অভিযানে উঠে আসে, দীর্ঘদিন ধরে উন্নত দেশগুলোতে উৎপাদিত সুপেয় পানির বোতলের আদলে আকর্ষণীয় প্লাস্টিকের বোতল ও মোড়ক ব্যবহার করে এসব পণ্যকে অভিজাত ও স্বাস্থ্যসম্মত হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, এভাবে ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রি করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।

শুধু বোতলজাত পানীয় নয়, প্রতিষ্ঠানটিতে অনুমোদনহীনভাবে শিশুখাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। আরও গুরুতর অভিযোগ, এসব পণ্যের মোড়কে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া লোগো ব্যবহার করা হচ্ছিল।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকার অদূরে দুর্গম ও গহীন বারাবত এলাকায় ‘ট্রিপলি এ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে গত রবিবার অভিযান পরিচালনা করে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: সালেহুর রহমান জানান, প্রতিষ্ঠানটি আকর্ষণীয় স্টিকারযুক্ত প্লাস্টিকের বোতলে পানি ভরে পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারসহ বিভিন্ন নামিদামি ও উন্নতমানের হোটেলে বিক্রি করে আসছিল। পাশাপাশি অনুমোদনহীনভাবে শিশুখাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছিল।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না। একই সঙ্গে পণ্যের মোড়কে বিএসটিআইয়ের ভুয়া বা অনুমোদনহীন লোগো ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং পরে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, রাতের আঁধারে গ্রামের নারী শ্রমিকদের দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে এসব অনুমোদনহীন পণ্য উৎপাদনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল।

অভিযানকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিএসটিআই ও এনএসআইয়ের কর্মকর্তারা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ফন্ট
লাইন
সেভ