পোস্টে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রাম সদরের ভেরভেরি গ্রামের এক পরিশ্রমী ইমাম সিদ্দিকুর রহমান এই বিস্ময়কর সাফল্যের জন্ম দিয়েছেন। শুধু সিদ্দিকুর রহমান নয়, তার মতো এমন অসংখ্য আলেম-ইমামের সৃজনশীল উদ্যোগ এদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
কিছুদিন আগেও সিদ্দিকুর রহমান মাসিক ১৫০০ টাকা বেতনে ইমামতি করতেন। সাথে মক্তব পড়িয়ে পেতেন ১ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মাসিক আয় ছিল ২৫০০ টাকা।
কিন্তু এই সামান্য আয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ অসম্ভব হয়ে পড়লে তিনি ইমামতির পাশাপাশি একটি নার্সারিতে কাজ শুরু করেন।
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন অরণ্য চৌধুরী প্রীতি
১৯ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ তিন বছরের পরিশ্রমে ধীরে ধীরে তিনি নার্সারির কাজে দক্ষ হয়ে ওঠেন। তিনি শিখে যান বীজ নির্বাচন, বীজ শোধন, বীজতলা তৈরি, বীজ বপন, সেচ প্রদান, ছায়া ও সুরক্ষা সহ পরিচর্যার নানা সূক্ষ্ম কৌশল।
সে সময় তিনি ওই নার্সারি থেকেই পাইকারি চারা কিনে অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। এভাবে একই সাথে তিনি উৎপাদন ও বিপণনে অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন।
এরপর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পাটাতনের ওপর ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে তার স্বপ্নের পৃথিবী। মনে মনে নিজের মতো করে একটি বড় নার্সারি গড়ার স্বপ্ন বুনতে থাকেন তিনি।
এ সময় তার স্বপ্নের সারথি হয় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্প থেকে তাকে দেয়া হয় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।
এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। আল্লাহর রহমত এবং আস-সুন্নাহর সহযোগিতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন একটি নার্সারি। নাম : সাবাহ এগ্রো ভ্যালি।
